পেকুয়ায় আওয়ামীলীগের সভাপতির পরিবারের ওপর সশস্ত্র হামলা

জয়নাল আবেদীন, ইবিএনটিভি টোয়েন্টিফোর :

শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ফরিদুল আলমের স্ত্রী কুমকুম আক্তার (৩৩) এক প্রেস ব্রিফিং এ জানায়,‘আমি সহ আমার পরিবারের সকলের ওপর সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলার প্রায় ৫ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো মামলা নেয়নি থানা।

গত ২৪ মে ২০২০ইং তারিখে পশ্চিম পাহাড়িয়া মরহুম আলতাফ মিয়ার বাড়ীর সামনে চলাচলের রাস্তায় এই ঘটনা ঘটে।

পাহাড়িয়াখালী ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নির্বাচিত সভাপতি ফরিদুল আলমের স্ত্রী সহ পরিবার পরিজনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করেছে একই সমাজের মৃত সুলতান আহমদের পুত্র বিএন পি নেতা আহমদ নবী।অন্য অভিযুক্তরা হলেন তার ভাই নাজিমুদ্দিন, সরোয়ার আজিম, ইব্রাহিম,তার পুত্র রায়হান, আরিফুল ইসলাম, ভাতিজা ফয়সাল ও একই এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের পুত্র জালাল আহমদ, ও তার পুত্র আনোয়ার হোসেন, জমির উদ্দিন।

এজাহারে কুমকুম আক্তার উল্লেখ করেন, তার স্বামী পশ্চিম পাহাড়িয়া খালী জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষ ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। মসজিদটি সংস্কার করার প্রয়োজন হওয়ায় একই এলাকার আহমদ নবী ২০ হাজার টাকা দেয়ার অঙ্গীকার করেন। তার স্বামী মসজিদ সংস্কার করে আর রমজানের তারাবির নামাজ পড়ানোর জন্য দুইজন কোরআনে হাফেজ রাখেন। ঘটনার দিন তার স্বামী ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি ফরিদুল আলম হুজুরদের সম্মানী ভাতা দেয়ার জন্য আহমদ নবীর কাছ থেকে ওই টাকাগুলো খুঁজেন। এনিয়ে দুইজনের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে  তর্কাতর্কির জের ধরে এজাহারে উল্লেখিত সংঘবদ্ধ আসামীরা আ’লীগ নেতাকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়।বাদীনি ও ভাসুর ফরিদুল আলমকে  উদ্ধার করতে গেলে তাদেরকেও মারধর করে আহত করা হয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।সেখানে আহতের অবস্থার অবনতি হওয়ায় পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক চমেক হাসপাতালে রেফার করে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থল হতে তার লুণ্ঠন হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধারের কোন তৎপরতা ও আশ্বাস প্রশাসনের কাছ হতে পাচ্ছেন না’

ভুক্তভোগী ফরিদুল আলম জানায়,
আহমদ নবী গংরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে আমি ও স্ত্রী কুম কুম আক্তার ভাই ভাই মঈন উদ্দীনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে।
আমরা আওয়ামীলীগের রাজনীতি করার কারণে
তারা বার বার আমাদেরকে হেনস্তা নির্যাতন করে আসছে।কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনী ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি।আমি চাই তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে বিচারের ব্যবস্থা করা হোক।
বাদী কুমকুম আক্তার আরো বলেন, সংঘবদ্ধ আসামীরা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েও ক্লান্ত হয়নি। আমার ব্যবহৃত স্বর্ণ ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। যার মূল্য ১লাখ টাকার উপরে। এছাড়াও ভাসুর মঈন উদ্দিনের পকেটে থাকা ১লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কামরুল আজম বলেন, ঘটনায় উভয়পক্ষে হতাহতের খবর পেয়েছি। তদন্তের মাধ্যমে শীঘ্রই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *