পেকুয়ায় ব্যবসায়িকে কুপিয়ে জখম দোকান ভাংচুর ও আহত-৩

জয়নাল আবেদীন :ইবিএনটিভি টোয়েন্টিফোর।

কক্সবাজারের পেকুয়ায় একই পরিবারের ৩ ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১ জন ব্যবসায়ী রয়েছেন। এ সময় হামলাকারীরা ওই ব্যবসায়ীর দোকান ভাংচুর চালায়। এক পর্যায়ে মুঠোফোনের দোকান থেকে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার মুঠোফোন ও
নগদ ২লক্ষ ৮০হাজার লুট করে। ঘটনার জের ধরে পেকুয়ায় প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্র কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

এ সময়  লোহার রড ধারালো অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে হামলাকারীরা কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে অবস্থান সুসংহত করে। এ সময় আতংক ও ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ী ও পথচারীরা হামলার ভয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। ১৮ জুলাই (শনিবার) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার বানিজ্যিক কেন্দ্র কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন বারবাকিয়া ইউনিয়নের কুতুবপাড়া গ্রামের মৃত ফুরুক আহমদের ছেলে পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ী মো: এহেছান (২৮), তার বড় ভাই মোহাম্মদ হাসান (৩০) ও মোহাম্মদ হোসাইন (৩৬)। পেকুয়া থানা পুলিশ কয়েক দফা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানার এস,আই আবদুল মালেক সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্সসহ ওই স্থানে অবস্থান নেন। স্থানীয় সুত্র জানায়, ওই দিন সন্ধ্যার দিকে বারবাকিয়া ইউনিয়নের সবজীবনপাড়ার বাসুল্লাহর ছেলে রুবেল ও একই ইউনিয়নের জালিয়াকাটার মো: সাচি প্রকাশ আইছ্যার ছেলে রুবেলের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এর সুত্র ধরে মো: সাচির ছেলে রুবেল তাকে মারধর চেষ্টা চালায়।

সবজীবনপাড়ার রুবেল দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে পেকুয়া বাজারে এহেছানের মালিকানাধীন মুঠোফোনের দোকান মোবাইল প্লাস নামক প্রতিষ্টানে ঢুকে পড়ে। এ সময় আইছ্যার ছেলে রুবেল তার ভাই কবির, ছরওয়ার, ইসমাইলসহ ১৫/২০ জনের উত্তেজিত লোকজন দেশীয় তৈরী অস্ত্র স্বস্ত্রসহ এহেছানের দোকানে হানা দেয়। সেখান থেকে সবজীবনপাড়ার রুবেলকে টানা হ্যাঁছাড়া করে অজ্ঞাত স্থানে অপহরণসহ প্রাণনাশ চেষ্টা চালায়। এ সময় দোকানের মালিক এহেছান বাধা দেয়। এর সুত্র ধরে হামলাকারীরা তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে।

খবর পেয়ে এহেছানের ২ ভাই মো: হোছাইন ও হাসান ওই স্থানে ভাইকে উদ্ধার করতে যান। এ ২ জনকেও পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। মৃত ফুরুক আহমদের ছেলে যুবলীগ পেকুয়া উপজেলা শাখার সহসভাপতি মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, তারা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়। আইছ্যার ছেলে কবির যুবদল নেতা কামরান জাদীদ মুকুটের ক্যাডার। ১ জন ছেলে অপহরণ ও হামলা থেকে নিস্তার পেতে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্টানে ঢুকে পড়ে। আমার ভাই এর প্রতিবাদ করেছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপির ক্যাডার কবির ও তার ভাই মিলে ১৮/২০ জনের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা  ন্যাক্কারজনক হামলা চালায়।

পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম জানান, লেখিত অভিযোগ পেয়েছি উভয় পক্ষই আহত হয়েছে ঘটনা তদন্ত করে আইনী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *